
বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের কার্ডিওলজির অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান জানিয়েছেন, এনজিওগ্রাম করার পর সেতুমন্ত্রীর আর্টারিতে ব্লক ধরা পড়েছে। তিনটি রক্তনালীতে ব্লক ধরা পড়ে। তার অবস্থা আশঙ্কা মুক্ত নয়। ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা না গেলে কিছু বলাও যাবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। ওবায়দুল কাদের এখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, বিশেষজ্ঞ যে চিকিৎসকরা সিঙ্গাপুর থেকে এসেছেন তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দেখবেন। যদি উনার অবস্থা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়ার মত হয়, তাহলে আজই তাকে এই অ্যাম্বুলেন্সে করে নেওয়া হবে।
সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমকে অধ্যাপক আলী আহসান বলেন, খুব বেশি পরিমাণ ব্লক যেটা ছিল যেটাকে এলইডি বলে, সেটিকে খুলে দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খুলে দেওয়ার পর তিনি দুই ঘণ্টা ভালো ছিলেন। এরপর তার রক্তচাপ আবারো কমে যায়। ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালেন্স হয়।
অধ্যাপক আলী আহসান আরো বলেন, তবে এখন চোখ খুলছেন মন্ত্রী। কিন্তু ক্রিটিক্যাল স্টেজই (জটিল অবস্থা) এখনো রয়েছেন। এ জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগের নেতারা জানান, ফজরের নামাজের পর হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন ওবায়দুল কাদের। অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে নিয়ে আসেন তার স্ত্রী ইশরাতুন্নেসা কাদের। তখনই তাকে হাসপাতালের সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। ইতিমধ্যে ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পীকার হাসপাতালে এসেছিলেন ।