মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
২০২০ সালে যে ১০টি দক্ষতা তরুণদের থাকা চাই উত্তরায় শিশু হত্যার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করোনাভাইরাসে মারা গেলেন আরও ৩৫ জন গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা মিলেছে আরও দুই হাজার ৯৬০ জনের দেহে উত্তরায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করলেন মোঃ সিদ্দিকুর রহমানের প্রতিনিধি তিতাসের লাইসেন্স নিয়ে কন্ট্রাক্টারীর আড়ালে সাগরের অবৈধ গ্যাস সংযোগ উত্তরা আল আশরাফ হাসপাতাল যেন সাক্ষাৎ মূত্যু কূপ ঢাকা ১৮ আসনে প্রার্থীতার দৌড়ে যারা এগিয়ে জুমার নামাজেই সাংবাদিক খোকন এর উপর কাউন্সিলর শামীম এর সন্ত্রাসী হামলা আজ ৫১ জনের প্রাণ কেড়ে করোনাভাইরাস ঈদে চলবে গণপরিবহন : ওবায়দুল কাদের উত্তরায় প্রতারকরা কোচিং সেন্টারের আড়ালে গড়ে তুলেছে অনুমোদনহীন হারবাল পন্যের এমএলএম ব্যবসা

ট্রেনের ভেতরে ছিট খালি টিকিট ষ্টেশন মাষ্টারের নিজের আলমিরায়

Reporter Name / ১১ Time View
Update : বুধবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৯

Image may contain: people sitting and indoor

ডেক্স নিউজ – ৮-ই এপ্রিল জামালপুরের ইসলামপুর রেলওয়ে ষ্টেশোনে বাংলাদেশ রেলওয়ের সহকারী বাণিজ্যিক কর্মকর্তা খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি দল ভিযানে নামে । সেখানে চাকুরীরত প্রধান মাস্টারের একটি আলমারি ভেঙে আন্তঃনগর তিস্তা এক্সপ্রেস ও ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনের প্রথম শ্রেণিসহ বিভিন্ন শ্রেণির ৪৭৪টি আগাম কাটা অবৈধ টিকিট অভিযান পরিচালনাকারী দল তা উদ্ধার করে । এ সময় রেলওয়ের টিটি ইন্সপেক্টরসহ রেলওয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানের সময় এই থলের বিড়াল বিড়িয়ে এলে , শত শত মানুষ রেল স্টেশনে ভিড় জমান। এ সময় স্টেশনে উপস্থিত ভুক্তভোগী যাত্রীরা দুর্নীতিবাজ স্টেশন মাস্টার আমিনুল ইসলামের চাকরিচ্যুতিসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, ইসলামপুর স্টেশনে মাস্টার হিসেবে আমিনুল ইসলামের যোগদানের পর থেকে অধিকাংশ সময় কাউন্টারে কোনো টিকিট পাওয়া যায় না। টিকিট চাইলে বলা হয়ে থাকে টিকিট নেই, শেষ হয়ে গেছে।

অন্যদিকে অভিযুক্ত স্টেশন মাস্টার আমিনুল ইসলাম জানান, অনলাইনে ইসলামপুর স্টেশনের কোটা টিকিট অন্য স্টেশন থেকে কেটে নেয়া রোধ করতে এবং যাত্রীদের অগ্রিম বুকিং হিসেবে কিছু টিকিট কেটে রাখা হয়েছে।

অভিযানে নেতৃত্বদানকারী রেলওয়ের সহকারী বাণিজ্যিক কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম বলেন, তদন্ত চলছে। তদন্তের পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

জানা যায় , রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারী দীর্ঘদিন এই কালোবাজারে টিকিট বিক্রীর সাথে জড়িত । তারা অবৈধ পন্থায় টিকিট সংগ্রহ করে টিকিটের শূন্যতা সৃষ্টি করে , পরবর্তীতে তা বেশী দামে বিক্রয় করে । যার ফলশ্রুতিতে যাত্রীরা বিকল্প পন্থায় গন্তব্য গমন করলে সেই টিকিট আর বিক্রয় হয়না । ফলে অনেক সময় দেখা যায় দূরপাল্লার আন্তঃনগর ট্রেনের সিট ফাকা থাকে । বানিজ্যিক ভাবে ট্রেন পরে লোকশানের মূখে ।

About The Author


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category